ঘন্টার পর ঘন্টা দীর্ঘ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সেই দিন শেষ।মোবাইল ব্যাংকিং এর যুগের বিকাশ নিয়ে এল ঘরে বসে এক মিনিটে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধর সহজ তম উপায়। আপনার যদি একটি বিকাশ একাউন্ট থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করে আসুন জেনে নিই কি ভাবে বিকাশের মাধ্যমে ঘরে বসে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন। বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ দুই ভাবে বিকাশে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যায়।বিকাশ অ্যাপ ও ইউএসডি কোড অর্থাৎ *247# ডায়েল করে। □ আপনি যদি বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে বিল পরিশোধ করেন তাহলে অতিরিক্ত কোন চার্য কাটা হবে না। যদি *247# ডায়েল করে চার্জ পরিশোধ করেন তাহলে আপনার ব্যালেন্স থেকে অল্প পরিমাণ টাকা কেটে নেয়া হবে। □ আর টেলিটক সিমে যদি আপন বিকাশ একাউন্ট থাকে তাহলে বিল পরিশোধে আপনার কোন চার্জ কাটা হবে না। বিকাশ থেকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ এর চার্জঃ বিকাশ থেকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধর নিয়মঃ একজন বিকাশ গ্রাহক এক মাসে সর্বোচ্চ দুইবার বিকাশ দিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিল প্রদান করতে পারবেন। □ প্রথমে *247# ডায়াল করুন। □ ৫ নম্বর থেকে পে বিল (Pay bill) অপশন বা...
ক্যান্সার কোনো রোগ নয় এটি ব্যবসায়ের একটি ফাঁদ! সুতরাং ক্যান্সার বলে যে রোগের কথা বলা হয় তা একটি ভ্রান্ত ধারনা। ক্যান্সার হলো মূলত ভিটামিন বি ১৭ এর অভাব জনিত একটি উপসর্গ মাত্র। ঠিক যেভাবে স্কার্ভি কোনো রোগ নয় বরং ভিটামিন সি এর ঘাটতি। অথচ স্কার্ভি রোগ নিয়েও জল কম ঘোলা হয়নি। একটা সময়ে স্কার্ভি রোগ নিয়েও প্রচুর ব্যবসা করা হয়। পরে প্রমাণিত হয় স্কার্ভি কোনো রোগ নয়। ঠিক তেমনি ক্যান্সারও কোনো রোগ নয়। বরং দেহে একটি ভিটামিনের ঘাটতির কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। উইকিপিডিয়ায় লেখা আছে, ক্যান্সার হলো এমন একটি রোগ যার ফলে দেহের কোনো কোষের অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি ঘটে। যা পরে দেহের অন্যান্য অংশেও আক্রমণ করতে পারে। আধুনিক বিশ্বে ক্যান্সার এতটাই ব্যাপভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, বয়স্ক, যুবা, শিশু এবং প্রত্যেকেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ক্যান্সার নিয়ে ব্যবসা শুরু হয় ব্যাপক আকারে।
আর একে পুঁজি করে পশ্চিমা ওষুধ কম্পানিগুলো প্রচুর পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। সুতরাং একে একটি ব্যবসার ফাট ও বলা যায়। তবে একেবারে অন্ধভাবে একে ব্যবসা বলা হয়তো ঠিক হবে না। কেননা ওষুধ কম্পানিগুলো ব্যবসা করার পাশপাশি ক্যান্সারেআক্রান্তদেরকে ব্যথা থেকেও মুক্তি দিয়েছেন। কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন বা সার্জারি সহ ক্যান্সারের সব চিকিৎসাই ক্যান্সারের তীব্রতা কমাতে উদ্ভাবন করা হয়েছে।
তাই আধুনিক ওষুধের প্রতিনিধিত্বকারীরা বলেন, ক্যান্সার গবেষণায় যে শতকোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয় তা করা হয় মূলত ক্যান্সারের চিকিৎসায় এবং ক্যান্সার নিরাময়ে। ব্যবসা করার জন্য নয়। কিন্তু ক্যান্সার নিয়ে যে গোপন ব্যবসা করা হয় তা ধরা পড়বে, এই সত্যটি থেকে যে, যেসব ওষুধ কম্পানি ক্যান্সার গবেষণায় অর্থ বিনিয়োগ করে তারা সেই অর্থ ক্যান্সারের ওষুধ বিক্রি করে তুলে নেয়। সঙ্গে তুলে নেয় বিশাল পরিমাণ মুনাফা। আর ক্যান্সার রোগের জন্য বিনামূল্যের যে চিকিতসা সেবা দেওয়া হয় তাও কিন্তু বিনামূল্যে নয়। বরং ওষুধ কম্পানিগুলোকে টাকা দিয়েই সেগুলো কিনে আনে বিনামূল্যে চিকিতসা সেবা দানকারী চ্যারিটি বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো।
আর সরকারগুলো ক্যান্সারের যে বিনামূল্যের চিকিতসা সরবরাহ করে থাকে তাও করে ওষুধ কিনে এনে। জনগনের করের টাকায় ওষুধ কম্পানিগুলো থেকে ওষুধ কিনে আনে সরকার। এ থেকেই বুঝা যায় ওষুধ কম্পানিগুলো শুধু মুনাফা করার জন্যই ক্যান্সারের ওষুধ বানায়। এমনকি তাদের ওষুধে রোগী ভালো হবে কি হবে না সে বিষয়েও তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই। উদাহরণত, প্রচলিত কেমেথেরাপিতে শুধু ক্যান্সারের কোষই মারা যায় না অনেক ভালো কোষও মারা যায়। অর্থাৎ, এর খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে ব্যাপক। ক্যান্সার নিয়ে লেখা জি. এডওয়ার্ড গ্রিফিন এর বই ওয়ার্ল্ড উইদাউট ক্যান্সার ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া সত্ত্বেও বইটি অন্য ভাষায় অনুবাদ করতে দেওয়া হয়নি। কারণ বইটিতে তিনি ক্যান্সার নিয়ে ব্যবসা না করে বরং বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতিকে উৎসাহিত করতে বলেছেন। ড. হ্যারল্ড ডব্লিউ. ম্যানার তার বই ডেথ অফ ক্যান্সার-এ বলেছেন বিকল্প পদ্ধতিতে চিকিৎসায় ক্যান্সার ৯০ শতাংশেরও বেশি ক্ষেত্রে ভালো হয়।
